সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফলে লাগানো ‘ফরমালিন’ দূর করার সঠিক নিয়ম

🗓 শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

👁️ ৩৯ বার দেখা হয়েছে

🗓 শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

👁️ ৩৯ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম :: দোকান থেকে ফলের বদলে শত্রু কিনে আনছেন না তো? জানেন প্রিয় পুষ্টিকর ফলের গায়ে রাজ করছে অদৃশ্য ‘ফরমালিন’? বড় স্বাস্থ্য ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে জীবনে। ভয় পাবেন না, বিশেষজ্ঞদের টিপস জানুন। সহজ ঘরোয়া উপায়ে ফল হবে ‘ফরমালিন-ফ্রি’!

ফল স্বাস্থ্যের ও পুষ্টির অন্যতম আধার! তাই প্রতিদিনই ডায়েটে কিছু ফল রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু মুশকিল হল, আপনি যে ফল খাচ্ছেন তাঁর পুষ্টির আড়ালে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি লুকিয়ে নেই তো? আসলে আজকাল বাজারে উপলব্ধ প্রায় প্রতিটি খাদ্যদ্রব্যেই ভেজাল থাকে। আর এই তালিকায় বাদ যাবে না ফলও।

ফল স্বাস্থ্যের ও পুষ্টির অন্যতম আধার! তাই প্রতিদিনই ডায়েটে কিছু ফল রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু মুশকিল হল, আপনি যে ফল খাচ্ছেন তাঁর পুষ্টির আড়ালে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি লুকিয়ে নেই তো? আসলে আজকাল বাজারে উপলব্ধ প্রায় প্রতিটি খাদ্যদ্রব্যেই ভেজাল থাকে। আর এই তালিকায় বাদ যাবে না ফলও।

কিন্তু কোন খাবারে ভেজাল আছে, আর কোনটিতে নেই, কোন ফল আপনার জন্য চরম বিপদ ডেকে আনতে পারে তা খালি চোখে দেখে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বোঝার উপায় থাকে না। সেক্ষেত্রে কোন খাবারটি একজন ব্যক্তিকে অসুস্থ করে তুলতে পারে, তা আগে থেকে অনুমান করা প্রায় অসম্ভব।

কিন্তু কোন খাবারে ভেজাল আছে, আর কোনটিতে নেই, কোন ফল আপনার জন্য চরম বিপদ ডেকে আনতে পারে তা খালি চোখে দেখে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বোঝার উপায় থাকে না। সেক্ষেত্রে কোন খাবারটি একজন ব্যক্তিকে অসুস্থ করে তুলতে পারে, তা আগে থেকে অনুমান করা প্রায় অসম্ভব।

বাজারে উপলব্ধ ফলের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। ফল দ্রুত বড় করতে, টাটকা-তাজা দেখাতে এবং পাকাতে অনেক ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। আর এখানেই বড় ভূমিকা নেয় ফরমালিন নামের একটি উপাদান।

বাজারে উপলব্ধ ফলের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। ফল দ্রুত বড় করতে, টাটকা-তাজা দেখাতে এবং পাকাতে অনেক ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। আর এখানেই বড় ভূমিকা নেয় ফরমালিন নামের একটি উপাদান।

ফলের উপর ফরমালিন নামক একটি বিপজ্জনক, বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয় যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই, বাজার থেকে কেনা ফল খাওয়ার আগে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিষ্কার করার পদ্ধতি জেনে নেওয়া উচিত। যাতে কোনও ঝুঁকি না থেকে যায় আপনার প্রিয় ফলের আপাত পুষ্টিকর চেহারার আড়ালে।

ফলের উপর ফরমালিন নামক একটি বিপজ্জনক, বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয় যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই, বাজার থেকে কেনা ফল খাওয়ার আগে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিষ্কার করার পদ্ধতি জেনে নেওয়া উচিত। যাতে কোনও ঝুঁকি না থেকে যায় আপনার প্রিয় ফলের আপাত পুষ্টিকর চেহারার আড়ালে।

দোকানিরা নিজেদের লাভের জন্য ফলে ফরমালিন নামের এক রাসায়নিক ব্যবহার করে থাকেন। যদিও তারা গ্রাহকদের কাছে ফল বিক্রি করার সময় দাবি করেন যে সেগুলো ভালো, তাজা, পুষ্টিকর এবং ফরমালিনমুক্ত।

দোকানিরা নিজেদের লাভের জন্য ফলে ফরমালিন নামের এক রাসায়নিক ব্যবহার করে থাকেন। যদিও তারা গ্রাহকদের কাছে ফল বিক্রি করার সময় দাবি করেন যে সেগুলো ভালো, তাজা, পুষ্টিকর এবং ফরমালিনমুক্ত।

আবার আপনিও যখন সেগুলি কিনতে যান, তখন এই ফলগুলি আপনার শরীরের কী ক্ষতি করতে পারে তা সহজে বুঝতে পারেন না। কারণ ফরমালিন ফলকে বেশিক্ষণ তাজা দেখাতে সাহায্য করে। তাই আপনি হয়তো ভাবেন ফলটি সত্যিই টাটকা। আর ব্যাগে ভরে বাড়ি নিয়ে আসেন।

আবার আপনিও যখন সেগুলি কিনতে যান, তখন এই ফলগুলি আপনার শরীরের কী ক্ষতি করতে পারে তা সহজে বুঝতে পারেন না। কারণ ফরমালিন ফলকে বেশিক্ষণ তাজা দেখাতে সাহায্য করে। তাই আপনি হয়তো ভাবেন ফলটি সত্যিই টাটকা। আর ব্যাগে ভরে বাড়ি নিয়ে আসেন।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন আপনি ফল থেকে ফরমালিন অনেকাংশেই দূর করতে পারেন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে। ছোট্ট উপাদান দিয়েই সম্ভব। কোঝিকোডের সিনিয়র প্যাথলজিস্ট ও অনকোপ্যাথলজিস্ট ডঃ নিনা মাম্পিলির মতে,

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন আপনি ফল থেকে ফরমালিন অনেকাংশেই দূর করতে পারেন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে। ছোট্ট উপাদান দিয়েই সম্ভব। কোঝিকোডের সিনিয়র প্যাথলজিস্ট ও অনকোপ্যাথলজিস্ট ডঃ নিনা মাম্পিলির মতে, “আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ফল অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।

এগুলিতে প্রচুর পুষ্টি উপাদান রয়েছে, কিন্তু খাওয়ার আগে সেগুলি ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া অপরিহার্য, কারণ এগুলিতে ফরমালিন নামক একটি বিষাক্ত রাসায়নিক থাকতে পারে।” তাই, শাকসবজি সঠিকভাবে পরিষ্কার করা খুবই জরুরি। দেখে নেওয়া যাক ৫ পদ্ধতি যা সহজেই কার্যকরী ভাবে তাড়াতে পারে ফলের ফরমালিন।রানিং ট্যাপ ওয়াটারের নীচে ভালোভাবে ধুয়ে নিন: বাজার থেকে ফল আনার পর, সেগুলো খোলা নলের জলের নীচে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া উচিত। অনেকে শুধু সামান্য জল ঢেলে দেন, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। ফলের গায়ে লেগে থাকা কীটনাশক, ধুলো এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করার জন্য, সেগুলো অন্তত ২-৩ মিনিট ধরে হাত দিয়ে ঘষে ঘষে ধোয়া উচিত। এই পদ্ধতিতে রাসায়নিক পদার্থ দূর হয়।

রানিং ট্যাপ ওয়াটারের নীচে ভালোভাবে ধুয়ে নিন: বাজার থেকে ফল আনার পর, সেগুলো খোলা নলের জলের নীচে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া উচিত। অনেকে শুধু সামান্য জল ঢেলে দেন, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। ফলের গায়ে লেগে থাকা কীটনাশক, ধুলো এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করার জন্য, সেগুলো অন্তত ২-৩ মিনিট ধরে হাত দিয়ে ঘষে ঘষে ধোয়া উচিত। এই পদ্ধতিতে রাসায়নিক পদার্থ দূর হয়।লবণ জলে ভিজিয়ে রাখুন: কীটনাশক দূর করার জন্য লবণ জলকে খুব সহায়ক বলে মনে করা হয়। একটি বড় পাত্রে জলে ১-২ চা চামচ লবণ মিশিয়ে তাতে ফলগুলো ১০-১৫ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন। লবণের দ্রবণটি ফলের উপরিভাগের রাসায়নিক পদার্থগুলো আলগা করে দেয়, ফলে সেগুলো থেকে রাসায়নিক অপসারণ করা সহজ হয়। ভিজিয়ে রাখার পর, অবশ্যই পরিষ্কার জল দিয়ে ফলগুলো আবার ধুয়ে নেবেন।

লবণ জলে ভিজিয়ে রাখুন: কীটনাশক দূর করার জন্য লবণ জলকে খুব সহায়ক বলে মনে করা হয়। একটি বড় পাত্রে জলে ১-২ চা চামচ লবণ মিশিয়ে তাতে ফলগুলো ১০-১৫ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন। লবণের দ্রবণটি ফলের উপরিভাগের রাসায়নিক পদার্থগুলো আলগা করে দেয়, ফলে সেগুলো থেকে রাসায়নিক অপসারণ করা সহজ হয়। ভিজিয়ে রাখার পর, অবশ্যই পরিষ্কার জল দিয়ে ফলগুলো আবার ধুয়ে নেবেন।বেকিং সোডা ব্যবহার করুন: বেকিং সোডা বৈজ্ঞানিকভাবে একটি কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে প্রমাণিত। এক লিটার জলে আধ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে তাতে ফল ও সবজি ১০-১৫ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে বেকিং সোডা কীটনাশকের রাসায়নিক গঠন ভেঙে দিতে সাহায্য করে, ফলে সেগুলোর কার্যকারিতা কমে যায়। এই পদ্ধতিটি আপেল, আঙুরের মতো ফল ও সবজির জন্য বিশেষভাবে উপকারী। এরপর পরিষ্কার জল দিয়ে ফলগুলি আরেকবার ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

বেকিং সোডা ব্যবহার করুন: বেকিং সোডা বৈজ্ঞানিকভাবে একটি কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে প্রমাণিত। এক লিটার জলে আধ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে তাতে ফল ও সবজি ১০-১৫ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে বেকিং সোডা কীটনাশকের রাসায়নিক গঠন ভেঙে দিতে সাহায্য করে, ফলে সেগুলোর কার্যকারিতা কমে যায়। এই পদ্ধতিটি আপেল, আঙুরের মতো ফল ও সবজির জন্য বিশেষভাবে উপকারী। এরপর পরিষ্কার জল দিয়ে ফলগুলি আরেকবার ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।ভিনিগার দিয়ে পরিষ্কার করুন: ভিনিগার একটি প্রাকৃতিক পরিষ্কারক যা ব্যাকটেরিয়া এবং কিছুটা কীটনাশক দূর করতে সাহায্য করে। এক পাত্র জলে ১-২ চা চামচ ভিনেগার মিশিয়ে তাতে ফল ও সবজি ১০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন। এই পদ্ধতিটি নাসপাতি, শসার মতো মসৃণ পৃষ্ঠযুক্ত সবজির জন্য বিশেষভাবে কার্যকর। অতিরিক্ত ভিনিগার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন, কারণ এটি স্বাদ ও গন্ধকে প্রভাবিত করতে পারে। ব্যবহারের পর পরিষ্কার জল দিয়ে আরও একবার ভালোভাবে ধুয়ে নিতে কিন্তু ভুলবেন না।

ভিনিগার দিয়ে পরিষ্কার করুন: ভিনিগার একটি প্রাকৃতিক পরিষ্কারক যা ব্যাকটেরিয়া এবং কিছুটা কীটনাশক দূর করতে সাহায্য করে। এক পাত্র জলে ১-২ চা চামচ ভিনেগার মিশিয়ে তাতে ফল ও সবজি ১০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন। এই পদ্ধতিটি নাসপাতি, শসার মতো মসৃণ পৃষ্ঠযুক্ত সবজির জন্য বিশেষভাবে কার্যকর। অতিরিক্ত ভিনিগার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন, কারণ এটি স্বাদ ও গন্ধকে প্রভাবিত করতে পারে। ব্যবহারের পর পরিষ্কার জল দিয়ে আরও একবার ভালোভাবে ধুয়ে নিতে কিন্তু ভুলবেন না।

সঠিকভাবে খোসা ছাড়িয়ে খান: কিছু ফলের খোসা ছাড়িয়ে নিলে কীটনাশকের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দূর হয়ে যায়, কারণ বেশিরভাগ রাসায়নিক বাইরের স্তরেই থেকে যায়। আপেল, নাসপাতি, শসার ফলের মতো খোসা ছাড়িয়ে নেওয়া একটি নিরাপদ বিকল্প হতে পারে।

এই বিভাগ এর আরো খবর

ফলে লাগানো ‘ফরমালিন’ দূর করার সঠিক নিয়ম

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর