রবিবার ৭ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুতের দাম বাড়ল সর্বস্তরে, গ্রাহকের ব্যয় বৃদ্ধি ১৭ শতাংশ

🗓 বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

👁️ ৩৫ বার দেখা হয়েছে

🗓 বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

👁️ ৩৫ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম(৪ জুন) :: জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর এবার পাইকারি, খুচরা ও সঞ্চালন পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্যহার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আবাসিক, বাণিজ্যিক, কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানসহ সব শ্রেণির গ্রাহককে বিদ্যুতের জন্য বেশি অর্থ গুনতে হবে।

ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি শিল্প, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার রাজধানীর রমনায় বিইআরসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ নতুন মূল্যহার ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, নতুন দাম জুন মাসের বিল থেকে কার্যকর হবে। তবে গ্রাহকশ্রেণিভিত্তিক বিদ্যমান ডিমান্ড চার্জ অপরিবর্তিত থাকবে।

নতুন ঘোষণায় পাইকারি বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের তুলনায় ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি।

একই সঙ্গে খুচরা বিদ্যুতের গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে, যা ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি।

এছাড়া সঞ্চালন মূল্যহার বা হুইলিং চার্জ ইউনিটপ্রতি ৩১ দশমিক ৩৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩৮ দশমিক ৮৬ পয়সা করা হয়েছে, যা প্রায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিইআরসি জানিয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন, ক্রয় ও আমদানি ব্যয়, সঞ্চালন ও বিতরণ খরচ এবং সরকারের ভর্তুকির চাপ বিবেচনায় নিয়ে নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে।

কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, নতুন মূল্যহার কার্যকর হলে বিদ্যুৎ খাতে সরকারের ভর্তুকি ৫৬ হাজার কোটি টাকা থেকে কমে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকায় নেমে আসবে।

তবে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, জ্বালানি ও বিদ্যুতের মতো মৌলিক খাতের মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি মূল্যস্ফীতিকে উসকে দেবে। এতে শিল্প উৎপাদন ব্যয়, কৃষি খরচ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে।

আবাসিক গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ

নতুন খুচরা মূল্যহার অনুযায়ী, লাইফলাইন গ্রাহকদের (০-৫০ ইউনিট) বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৫ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৭৮ লাখ ৮২ হাজার লাইফলাইন গ্রাহক রয়েছেন। নতুন দামে একজন ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী গ্রাহককে মাসে গড়ে প্রায় ৩৭ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে।

বিইআরসি সূত্র জানিয়েছে, ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট ও মিটার ভাড়া যুক্ত হওয়ায় বাস্তবে অধিকাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল আগের তুলনায় ১৮ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

প্রান্তিক মানুষের খরচ বাড়ল 

গ্রাহক পর্যায়ে লাইফ লাইন বা প্রান্তিক মানুষের বিদ্যুতের দামও এবার বাড়ানো হয়েছে। শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সারাদেশে মোট গ্রাহকের একটি বড় অংশ লাইফ লাইন গ্রাহক। সরকার প্রান্তিক মানুষকে ভর্তুকি মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে তাদের শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। সারাদেশে এমন গ্রাহকের সংখ্যা ১ কোটি ৭৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৮০। এর মধ্যে গ্রামীণ জনপদে, অর্থাৎ পল্লী বিদ্যুতের সমিতিগুলোতে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৯১টি সংযোগ রয়েছে।

এই লাইফ লাইন গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম ১৫ শতাংশের কাছাকাছি বাড়িয়ে ইউনিটপ্রতি ৫ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী একজন গ্রাহকের মাসিক বিদ্যুৎ বিল ৩৭ টাকা বাড়বে। তবে বিদ্যুৎ বিল শুধু এনার্জি চার্জের ওপর নির্ভর করে না। এর সঙ্গে ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট ও মিটার ভাড়া যোগ হয়।

লাইফ লাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, ভর্তুকির চাপ কমানো এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হয়েছে। এ কারণে সব শ্রেণির গ্রাহকের মধ্যে লাইফ লাইন গ্রাহকদের জন্য সবচেয়ে কম, প্রায় ১৫ শতাংশ হারে দাম বাড়ানো হয়েছে। নিম্ন আয়ের ভোক্তাদের কথা বিবেচনায় নিয়েই এ শ্রেণিতে সীমিত হারে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

মধ্যবিত্ত-উচ্চবিত্তেরও খরচ বাড়ল

নতুন দর অনুযায়ী, ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীদের জন্য ইউনিটপ্রতি দাম ৬ টাকা ১৮ পয়সা, যা ৯২ পয়সা বা ১৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ ছাড়া ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারে প্রতি ইউনিটের দাম হবে ৮ টাকা ৫০ পয়সা, যা ১ টাকা ৩ পয়সা বেশি। ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিটের জন্য নতুন দর ৯ টাকা ১০ পয়সা, যা ১ টাকা ৫১ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের ক্ষেত্রে ইউনিটপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ টাকা ৬২ পয়সা এবং ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের জন্য ১৫ টাকা ১ পয়সা। সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী শ্রেণি, অর্থাৎ ৬০০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে প্রতি ইউনিটের জন্য গুনতে হবে ১৭ টাকা ৩৫ পয়সা, যা আগের তুলনায় ২ টাকা ৭৪ পয়সা বেশি।

এই হিসাবে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে মাসিক বাড়তি বিল দাঁড়াবে প্রায় ৬৯ টাকা। ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিটে মাসে প্রায় ২০০ টাকার বেশি খরচ বাড়বে। ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিটে প্রায় ৪৫০ টাকা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটে প্রায় ৬৪০ টাকা এবং ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটে প্রায় ৯০০ টাকার কাছাকাছি বাড়তি বিল গুনতে হবে। ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে খরচ আরও অনেক বেশি হবে। এর সঙ্গে আনুপাতিক হারে ভ্যাট-ট্যাক্স বাড়বে।

সেচে খরচ বেড়েছে 

সারাদেশে সেচপাম্পের জন্য সরকার খানিকটা কম দামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। কৃষির ব্যয়কে সীমিত রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এবার এ খাতে ১৫ শতাংশ দাম বাড়িয়ে ৫ টাকা ২৫ পয়সা থেকে ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছে।

শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের খরচও বেড়েছে

এই শ্রেণির গ্রাহকের দাম ইউনিটপ্রতি ৭ টাকা ৫৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯ টাকা ৫ পয়সা করা হয়েছে। বেড়েছ ১৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

নির্মাণ শ্রেণির গ্রাহক

ভবন ও কারখানা নির্মাণের সময় গ্রাহককে একটি পৃথক নির্মাণ লাইন নিতে হয়, যা কাজ শেষ হওয়ার পর হস্তান্তর করতে হয়। এই শ্রেণির গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম তুলনামূলক বেশি থাকে। নির্মাণ শ্রেণির গ্রাহকের দাম ইউনিটপ্রতি ১৫ টাকা ১৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৯ টাকা ৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্যাটারি চার্জিং স্টেশন

সারাদেশে ইজিবাইকসহ বৈদ্যুতিক যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই খাতে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত পৃথক লাইনের পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে আবাসিক সংযোগ ব্যবহার করে চার্জ দেওয়া হয়। নতুন দর অনুযায়ী, ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনে ফ্ল্যাট রেট প্রতি ইউনিট ৯ টাকা ৬২ পয়সা থেকে ১১ টাকা ৩৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অফ-পিক সময়ে ইউনিটপ্রতি ৮ টাকা ৬৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ২২ পয়সা এবং সুপার অফ-পিক সময়ে ৭ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯ টাকা শূন্য ৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর পিক আওয়ারে ১২ টাকা ১৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৪ টাকা ২০ পয়সা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১৭-১৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

শিল্প, কৃষি ও বাণিজ্য খাতে মূল্যবৃদ্ধি

ক্ষুদ্র শিল্প গ্রাহকদের ফ্ল্যাট রেট ইউনিটপ্রতি ১০.৭৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২.৭৩ টাকা করা হয়েছে। মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পে ১১ কেভি সংযোগের ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট রেট ১১.৬৩ টাকা থেকে ১৩.৯৩ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

কৃষি সেচে ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৫.২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬.০৪ টাকা করা হয়েছে। শিক্ষা, হাসপাতাল, ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিদ্যুতের মূল্য ৭.৫৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯.০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে বাণিজ্যিক ও অফিস গ্রাহকদের ফ্ল্যাট রেট ১৩.০১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫.৩৬ টাকা করা হয়েছে। নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত বিদ্যুতের মূল্যও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে।

ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনেও বাড়তি খরচ

ইজি বাইক ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যানবাহনের চার্জিং স্টেশনগুলোর বিদ্যুতের মূল্যও বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন হার অনুযায়ী চার্জিং স্টেশনগুলোর ফ্ল্যাট রেট ইউনিটপ্রতি ৯.৬২ টাকা থেকে ১১.৩৬ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত চার্জ প্রত্যাহার

এদিকে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য স্বস্তির খবর হিসেবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানায়।

এর ফলে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ও অতিরিক্ত মিটার চার্জ থেকে গ্রাহকরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ক্যাপাসিটি চার্জেই সর্বনাশ

দেশের বিদ্যুৎ খাতের জন্য বড় ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বা কেন্দ্র ভাড়া। বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও কেন্দ্রগুলোকে অলস বসিয়ে রেখে বিগত বছরগুলোতে সরকারকে বিপুল অঙ্কের অর্থ গুনতে হয়েছে, যার চূড়ান্ত মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে।

সূত্র মতে, ২০১১-১২ অর্থবছরে যেখানে বিদ্যুৎ খাতের ক্যাপাসিটি চার্জ ছিল মাত্র পাঁচ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা আকাশচুম্বী হয়ে দাঁড়ায় ৪৫ হাজার ৪৫১ কোটি টাকায়। চলতি অর্থবছর তা হতে পারে ৪৮ হাজার ২৬০ কোটি টাকা।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই অলস ব্যয়ের পরিমাণ আরও বেড়ে ৫২ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা স্পর্শ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ১৫ বছরে ক্যাপাসিটি চার্জ ৪৭ হাজার ২২৮ কোটি টাকা বেড়েছে, যা প্রায় ৮৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি।

২০১১ সালে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে যেখানে ক্যাপাসিটি চার্জ ছিল দুই টাকা ৩৫ পয়সা, ২০২৬ সালে তা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ টাকা ৪৬ পয়সায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাস্তবসম্মত চাহিদার চেয়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদনই এই সংকটের মূল কারণ।

দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা যেখানে ১৮ হাজার মেগাওয়াট, সেখানে উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে ২৯ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। এই ১১ হাজার মেগাওয়াটের বিশাল উদ্বৃত্ত সক্ষমতার কারণে অলস বসে থাকা কেন্দ্রগুলোর পেছনেই খরচ হচ্ছে সিংহভাগ অর্থ। আর এই বিশাল লোকসানের ঘাটতি মেটাতে দফায় দফায় দাম বাড়িয়ে জনগণের ওপর চাপানো হচ্ছে খরচের বোঝা।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর