কক্সবাংলা ডটকম :: কোথাও তাড়াতাড়ি পৌঁছোতে হলে বাইকের থেকে ভালো বিকল্প আর নেই! অফিসে যাওয়া, বাজার করা বা কোথাও বেড়াতে যাওয়া – অনেকেরই পছন্দের বাহন বাইক। শহরাঞ্চলে অ্যাপ-ভিত্তিক বাইক পরিষেবার জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া।
ট্র্যাফিক জ্যাম এড়িয়ে কম খরচে এবং দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছোনোর জন্য এই মাধ্যমটি অত্যন্ত সুবিধাজনক। তবে নিত্যদিনের এই যাতায়াতের সঙ্গী হেলমেট কি আপনার চুলের ক্ষতি করছে?
হেলমেট ব্যবহার করা নিরাপত্তার খাতিরে এবং সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগনি রশ্মি বা ধুলোবালি থেকে চুলকে রক্ষা করার জন্য অপরিহার্য।
কিন্তু ভুল পদ্ধতিতে হেলমেট ব্যবহারের ফলে চুলের গোড়া দুর্বল বা চুল পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিরাপত্তার সঙ্গে আপস না করে হেলমেট পরার সঠিক নিয়মগুলো মেনে চলা জরুরি। যেমন –
- অনেক সময়েই তাড়াহুড়োর কারণে গোসল করেই বাড়ি থেকে বের হয়ে যাই।এ সময় ভিজে চুলে হেলমেট পরা কিন্তু উচিত নয়। এই অভ্যাসের কারণে চুল পড়া যেমন বেড়ে যায়, তেমনই বাড়ে খুশকির সমস্যা। তাই ভালো করে চুল শুকিয়ে নিয়ে তারপর হেলমেট পরা উচিত।
- অনেকেই সরাসরি মাথার উপরেই হেলমেট পরে নেয়। টাক পড়া আটকাতে চাইলে কিন্তু মাথায় সুতির কাপড় বা রুমাল বেঁধে তার পরেই হেলমেট পরা উচিত।
- হেলমেট নিয়মিত ব্যবহার করলেও বছরের পর বছর সেই হেলমেট পরিষ্কার করার কথা মনে থাকে না অনেকের। অপরিষ্কার হেলমেটে জমে থাকা ধুলো, ঘাম আর ব্যাক্টেরিয়া চুল পড়ার অন্যতম বড় কারণ। তাই প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক বার করে হেলমেট পরিষ্কার করে তবেই ব্যবহার করা উচিত।
- হেলমেট খোলা এবং পরার সময় খুব তাড়াহুড়ো করলে কিন্তু সেই টানে হেলমেটের সঙ্গে চুলের গোড়াতেও টান পড়ে। চুল পড়া আটকাতে হলে খুব সাবধানে আলতো হাতে হেলমেট খোলা ও পরা দরকার।
- অ্যাপ বাইক বুক করার পর বেশির ভাগ সময়েই চালকের থেকে হেলমেট নিয়ে ব্যবহার করেন যাত্রী। অন্যের ব্যবহৃত হেলমেট থেকে মাথায় সংক্রমণ হতে পারে। তাই সবসময় নিজের হেলমেট ব্যবহার করাই শ্রেয়।













