রবিবার ২৮ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেগা করিডোর নাকি ঋণের ফাঁদ? কোন পথে বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন সংযোগ!

🗓 রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

👁️ ১০ বার দেখা হয়েছে

🗓 রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

👁️ ১০ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম(২৭ জুন) :: ২৬ জুন ২০২৬ বেইজিংয়ে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে একটি দূরদর্শী ও যুগান্তকারী প্রস্তাব নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাবটি হলো—বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোর (BMCEC) গঠন।

এই আঞ্চলিক সংযোগ কেবল ভৌত সড়ক বা রেল যোগাযোগ নয়। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সাহায্য-নির্ভরতা থেকে বের করে বৈশ্বিক ‘অর্থনৈতিক হাব’-এ রূপান্তরের মহাপরিকল্পনা। তবে এই মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়নে চীনের অর্থায়নের শর্ত, পরিবেশ রক্ষা, বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সাহায্য-নির্ভরতা বনাম স্বনির্ভরতার নতুন পথরেখা:

বাংলাদেশ দীর্ঘ চার দশক ধরে পশ্চিমা দেশ ও বহুজাতিক সংস্থার ঋণের ওপর কম-বেশি নির্ভর করে আসছে। কিন্তু কোনো উদীয়মান অর্থনীতির জন্য এটি স্থায়ী বা মর্যাদাপূর্ণ সমাধান হতে পারে না। ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এরপর নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। তাঁর বলিষ্ঠ কূটনৈতিক উদ্যোগে দেশের অর্থনৈতিক কূটনীতিতে নতুন গতি আসে।

পরবর্তীতে, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপি ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিনিধি দল সম্প্রতি বেইজিং সফর করেন। এই সফর করিডোর আলোচনাকে এক নতুন বাস্তবতায় রূপ দিয়েছে।

চীন তার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় স্থলবেষ্টিত (Landlocked) ইউনান প্রদেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়াতে চায়। একই সাথে বঙ্গোপসাগরে বিকল্প ও নিরাপদ বাণিজ্য পথ খোঁজা তাদের লক্ষ্য। তাই বেইজিং এই করিডোরকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশ কৌশলগতভাবে এই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে পারে। এর মাধ্যমে ট্রানজিট ফি, পোর্ট চার্জ ও কাস্টমস শুল্ক বাবদ স্থায়ী আন্তর্জাতিক আয়ের উৎস তৈরি হবে। এটি বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশকে “সাহায্যগ্রহীতা” থেকে শক্তিশালী “বাণিজ্য অংশীদার”-এ উন্নীত করবে।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও বহুমাত্রিক কূটনীতি:

এই করিডোর বাংলাদেশের জন্য রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান এনে দিতে পারে। প্রস্তাবিত করিডোরটি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের ওপর দিয়ে যাবে। এই অঞ্চলে চীনের সুগভীর ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব রয়েছে। বর্তমানে রাখাইনে মিয়ানমার জান্তা সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় ‘আরাকান আর্মি’র (AA) জোরালো নিয়ন্ত্রণ দৃশ্যমান।

বাংলাদেশ আলোচনার টেবিলে এই শর্ত দৃঢ়ভাবে জুড়ে দিতে পারে। করিডোর বাস্তবায়নের স্বার্থে চীনকে তার প্রভাব খাটাতে হবে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ও রাখাইনের অংশীজনদের বাধ্য করতে হবে যেন তারা ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করে। এই কূটনৈতিক চালটি সঠিকভাবে খেলতে পারলে দেশের ওপর থেকে একটি বিশাল অর্থনৈতিক ও সামাজিক বোঝা চিরতরে নেমে যাবে।

চীনের অর্থায়ন: ‘ঋণের ফাঁদ’ এড়ানোর বাস্তব কৌশল

এই মেগা করিডোর বাস্তবায়নে প্রধান দরকষাকষির জায়গাটি হবে অবকাঠামো অর্থায়ন। শ্রীলঙ্কা বা পাকিস্তানের মতো আকস্মিক ‘ঋণের ফাঁদ’ (Debt Trap) এড়াতে ঢাকাকে চরম বিচক্ষণতা দেখাতে হবে। পূর্বের বড় প্রকল্পগুলোর ঋণের কিস্তি পরিশোধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিচের কৌশলগুলো অবলম্বন করা আবশ্যক:

সহজ শর্তের ঋণ (Concessional Loans): চড়া সুদের বাণিজ্যিক ঋণ (Commercial Loan) বা কঠিন শর্তের সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট নেওয়া যাবে না। দীর্ঘমেয়াদি গ্রেস পিরিয়ডসহ নামমাত্র সুদের ঋণ নিশ্চিত করতে হবে।

যৌথ বিনিয়োগ মডেল: শতভাগ ঋণ নির্ভর না হয়ে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) বা যৌথ বিনিয়োগ (Joint Venture) মডেল অনুসরণ করতে হবে। এতে আর্থিক ঝুঁকির দায় এককভাবে বাংলাদেশের ওপর আসবে না।

স্থানীয় অর্থনীতির সুরক্ষা: করিডোর নির্মাণে দেশীয় শ্রমিক, প্রকৌশলী এবং স্থানীয় কাঁচামাল (রড, সিমেন্ট) ব্যবহারের আইনি বাধ্যবাধকতা থাকতে হবে। এতে অর্থায়নের বড় অংশ দেশীয় বাজারে আবর্তিত হবে। একই সাথে, চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শতভাগ শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের স্থায়ী নিশ্চয়তা আদায় করতে হবে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও বিনিয়োগ কূটনীতির নতুন দিগন্ত:

এই মেগা করিডোর পরিকল্পনার পাশাপাশি বেইজিং সফরে আরেকটি বড় মাইলফলক যুক্ত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতিতে একটি বড় অর্জন। বেইজিংয়ে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের বিনিয়োগ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর নেতৃত্বে এই সম্মেলন সফল হয়। এতে চীনের ১২৫টিরও বেশি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালার চিত্র তুলে ধরা হয়।

​অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে নির্বাচিত সরকারের এই উদ্যোগের ফলে সেই অনিশ্চয়তা অনেকটাই দূর হয়েছে। সম্মেলনের পর প্রধানমন্ত্রী চীনের শীর্ষ অটোমোবাইল, টেক্সটাইল ও মেগা রিচ ইন্ডাস্ট্রিয়াল লিমিটেডের মতো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সাথে পৃথক বৈঠক করেন। এই বৈঠকগুলো সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) আকর্ষণের পথ সুগম করেছে। আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল ও মোংলায় দ্বিতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো কিছু প্রকল্প রয়েছে। এসব প্রকল্পে বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে করিডোরটি কেবল ট্রানজিট রুট হিসেবে থাকবে না। বরং এটি বাংলাদেশের শিল্পায়নের মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে।

পরিবেশগত ভারসাম্য ও গ্রিন ইনফ্রাস্ট্রাকচার:

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা বাংলাদেশের জন্য বড় পরীক্ষা। রাস্তা ও রেলপথ নির্মাণের সময় পাহাড়, নদী ও বনাঞ্চলের ইকোসিস্টেম যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। পণ্য পরিবহনে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক ট্রেন ও কম কার্বন নির্গমনকারী যানবাহনকে প্রাধান্য দেওয়া জরুরি।

বনাঞ্চল বা বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্যের কাছাকাছি অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী গ্রিন ওভারপাস বা আন্ডারপাস নির্মাণ করতে হবে। বেইজিংকে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো (Green Infrastructure) নির্মাণে বাধ্য করতে হবে। অর্থনৈতিক লাভের খেসারত হিসেবে বাংলাদেশ কোনো পরিবেশগত বিপর্যয় মেনে নিতে পারে না।

স্মার্ট করিডোর ও উপজাত অর্থনৈতিক উন্নয়ন:

ভৌত যোগাযোগের পাশাপাশি এটিকে একটি ‘স্মার্ট ও ডিজিটাল করিডোর’ হিসেবে গড়ে তোলা অপরিহার্য। উন্নত ৫জি প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ভিত্তিক লজিস্টিকস ট্র্যাকিং ও ডিজিটাল কাস্টমস ব্যবস্থা আমাদের বন্দর ব্যবস্থাপনাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করবে। তবে এই ডিজিটাল নেটওয়ার্কের সাইবার নিরাপত্তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংস্থার হাতে থাকতে হবে।

পাশাপাশি, এই সংযোগের ফলে চীন ও মিয়ানমার থেকে সড়কপথে পর্যটকদের আগমন সহজ হবে। এটি আমাদের পর্যটন খাতকে চাঙ্গা করবে। করিডোরের দুই পাশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ) প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এর ফলে দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (SME) পণ্য সহজে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছাতে পারবে।

বঙ্গোপসাগরের সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা:

করিডোরটি সচল হলে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে বাণিজ্যিক জাহাজের আনাগোনা বহুগুণ বাড়বে। এর ফলে বঙ্গোপসাগরের সুরক্ষায় নতুন সুরক্ষাবলয় তৈরি করা জরুরি।

১. ব্লু-ইকোনমি ও পরিবেশ রক্ষা: অতিরিক্ত জাহাজ চলাচলের কারণে তেল ও বর্জ্য নিঃসরণে যেন সমুদ্রের নীল অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার জন্য আন্তর্জাতিক পরিবেশ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কড়া নজরদারি দরকার।

২. একচেটিয়া আধিপত্য রোধ: বঙ্গোপসাগরের নিজস্ব একচেটিয়া অর্থনৈতিক জলসীমায় (EEZ) থাকা মূল্যবান খনিজ সম্পদের ওপর যেন কোনো বিদেশী শক্তি একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে না পারে, চুক্তিতে তা সুনির্দিষ্ট করতে হবে।

৩. নৌ-নিরাপত্তা জোরদার: সমুদ্রসীমায় কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়িয়ে নিজস্ব কর্তৃত্ব বজায় রাখা অত্যাবশ্যক। এই সামুদ্রিক রুটকে সম্পূর্ণ অসামরিক বাণিজ্যিক পথ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে, যেন তা পরাশক্তির সামরিক মহড়ার ক্ষেত্রে পরিণত না হয়।

জাতীয় নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য:

করিডোর দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ: করিডোরের সড়ক, রেল বা বন্দরের নিরাপত্তার মূল নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই বিদেশি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা মেনে নেওয়া যাবে না।

মিয়ানমারের অস্থিরতা মোকাবিলা: মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ গৃহযুদ্ধের কারণে করিডোরের নিরাপত্তা ঝুঁকি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই অস্থিতিশীলতার আঁচ যেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে, তার জন্য সীমান্তে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষা: চীনকে এই করিডোর দিলে ভারত এবং পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে কৌশলগত নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। বাংলাদেশকে এটিকে সম্পূর্ণ ‘অসামরিক অর্থনৈতিক ফ্রেমওয়ার্ক’ হিসেবে উপস্থাপন করা জরুরি। ভারতের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং ইউরোপ-আমেরিকায় আমাদের তৈরি পোশাকের (RMG) বাজার যেন ক্ষুণ্ন না হয়, তার জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ বহুমাত্রিক কূটনীতি (Diplomatic Balance) বজায় রাখা অত্যাবশ্যক।

উপসংহার:

বিদেশি সাহায্যের দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজের স্ট্র্যাটেজিক ভৌগোলিক অবস্থানকে অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তর করার এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। কিন্তু এই সুবিধার আড়ালে যেন দেশের সার্বভৌমত্ব, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা হুমকির মুখে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা একান্তই জরুরি। নিখুঁত শর্তের দরকষাকষি, পরিবেশগত টেকসই নীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। বাংলাদেশ যদি এই করিডোরকে একটি ‘উন্মুক্ত অর্থনৈতিক ও ডিজিটাল হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে, তবে এটিই হবে স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের মজবুত ভিত্তি।

লেখক-​এইচ এম আবু ছিদ্দিক : কলামিস্ট ও সাংবাদিক, কক্সবাজার।

No photo description available.

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর