এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :: কক্সবাজারকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও টেকসই নগর হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই পরিকল্পনার সাথে কক্সবাজার সদর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ‘ভারুয়াখালী ইউনিয়ন’কে যুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
দাবির প্রেক্ষিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন এলাকাবাসী।
একইসঙ্গে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের নিকট পেশ করার জন্য এমপি মহোদয়ের সদয় সুপারিশ গ্রহণ করা হয়।
সোমবার দুপুরে সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজলের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাক্ষাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জন্য এমপির সুপারিশ সম্বলিত এই আবেদনটি পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে যথা যথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
সূত্র মতে,চৌফলদণ্ডী লবণকেন্দ্রের আওতাধীন ভারুয়াখালী মৌজার প্রায় ১৪শত একর জমিতে প্রতিবছর প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন লবণ উৎপাদিত হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪২ কোটি টাকা।
এটি কক্সবাজার সদরের মোট লবণের ২৭ শতাংশ ও দেশের মোট লবণের ২ শতাংশ।
প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাত: কৃষির পাশাপাশি এ অঞ্চলে প্রাণিসম্পদ খাতে প্রায় ৬২ কোটি টাকা এবং চিংড়ি ও কাঁকড়া শিল্পে প্রায় ৮ কোটি টাকার বার্ষিক অর্থনীতি রয়েছে।
ভারুয়াখালীর বার্ষিক অর্থনীতির পরিমাণ প্রায় ৩শত কোটি টাকা ও প্রতিবছর প্রায় ১৮০ কোটি টাকার প্রবাসী রেমিট্যান্স এ অঞ্চলে আসে, যা স্থানীয় বিনিয়োগ, কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখছে।
যোগাযোগ ও ভৌগোলিক অবস্থান: শহর থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার বা ২০ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত এই জনপদের উত্তর ও দক্ষিণ উভয় দিকেই সেতু-সংযোগ থাকায় যাতায়াত অত্যন্ত সহজ।
এছাড়া প্রস্তাবিত সিটি কর্পোরেশনের আওতায় তেতুয়া অন্তর্ভুক্ত হলে,মাত্র ৩৯২ মিটার উড়ালপথ দ্বারা সরাসরি সংযুক্ত ভারুয়াখালীকে বাদ দেওয়ার কোন যৌক্তিকতা নেই বলে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষা ও জনবল: প্রায় ১৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই জনপদে রয়েছে ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫টি উচ্চ বিদ্যালয় ও ৭টি মাদরাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখান থেকে প্রতিনিয়ত শিক্ষক, প্রকৌশলী,ডাক্তার,আইনজীবী, ব্যাংকার দের মত দক্ষ জনবল গড়ে উঠছে।












