হেলাল উদ্দিন,টেকনাফ :: কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা ১০ জন মানবপাচারের শিকার ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে র্যাব-১৫।
এ সময় মানবপাচার চক্রের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব-১৫, সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র জোরপূর্বক ও প্রলোভনের মাধ্যমে কয়েকজন বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাইট্যংপাড়ায় জড়ো করেছে।
প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে নাইট্যংপাড়ার পিএইচপি বরফ মিলের পাশে হাবিবুল্লাহর বাড়ির সামনের এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র্যাব।
র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া করে আব্দুল আমিন (২২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুল আমিন টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাইট্যংপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে, পলাতক সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজশে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে জড়ো করা হয়েছিল।
অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে মানবপাচারের শিকার ১০ জন ভিকটিমকে নিরাপদে উদ্ধার করে র্যাবের হেফাজতে নেওয়া হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া ভিকটিমরা জানান, তাদের সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে ওই স্থানে নিয়ে আসা হয়েছিল।
পরবর্তীতে উদ্ধার হওয়া ১০ ভিকটিম ও গ্রেপ্তার আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১৫ জানিয়েছে, মানবপাচারসহ সব ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মানবপাচারের মতো গুরুতর অপরাধ প্রতিরোধে জনসাধারণকে সচেতন ও সতর্ক থাকার পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা র্যাব বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।















