বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬ মাঘ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লোকসানের চক্রে আলু চাষি

🗓 Thursday, 26 February 2026

👁️ ১৩ বার দেখা হয়েছে

🗓 Thursday, 26 February 2026

👁️ ১৩ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম(২৬ ফেব্রুয়ারী) :: আলুর দামে ধস নামার পর গত বছর লোকসান গোনেন অনেক চাষি। অনেকেই পড়েন ঋণের চাপে, কেউ কেউ জমি বন্ধক রেখে চাষের খরচ জোগান। তখন শঙ্কা তৈরি হয়, এবার হয়তো কমে যাবে আলুর আবাদ। সেই পটভূমিতে কৃষি মন্ত্রণালয় গত নভেম্বরে ক্ষতিগ্রস্ত চাষির জন্য প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেয়। সেই সময়ের কৃষি উপদেষ্টাও একাধিকবার গণমাধ্যমে এ প্রণোদনার কথা জানান।

তবে এক মৌসুম শেষ হয়ে আরেক মৌসুম শুরু হলেও এখন পর্যন্ত কৃষকের হাতে প্রণোদনা পৌঁছেনি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা তৈরি করে পাঠালেও ভর্তুকি যায়নি। ফলে লোকসানের ক্ষত না শুকাতেই আবার নতুন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন আলুচাষিরা।

এদিকে দাম পড়ে যাওয়ার সংকট মোকাবিলায় গত বছরের আগস্টে সরকার ৫০ হাজার টন আলু সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কেনার ঘোষণা দেয়। লক্ষ্য ছিল, বাজারে দাম স্থিতিশীল রেখে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। তবে সেই সিদ্ধান্তও বাস্তবায়ন হয়নি। পরে আলু কেনার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটে সরকার।

একই সময়ে সরকার ঘোষণা দিয়েছিল, হিমাগারের ফটকে আলুর সর্বনিম্ন দর হবে কেজিপ্রতি ২২ টাকা। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সেই ঘোষণার পরও কৃষক দাম পাননি, বাজারে দর আরও নিচে নেমে যায়। ফলে হাজার হাজার টন আলু হিমাগারেই পচতে থাকে। সংরক্ষণ খরচ, সুদ ও পরিবহন খরচ মেটাতে না পেরে অনেক কৃষক আলু হিমাগার থেকে তুলতেই পারেননি। অনেকেই লোকসান গুনে আলু ফেলে দিতে বাধ্য হন।

লোকসানের কষ্ট ভুলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন কৃষক। নতুন মৌসুমে আবারও তারা আলুর আবাদ করেন। এবারও তাদের জন্য অপেক্ষা করছে একই কষ্টের গল্প। চড়া দামে সার ও কীটনাশক কিনে বেশি লাভের আশায় চাষ করা আলু এখন বিক্রি হচ্ছে পানির দরে। নতুন আলু বাজারে এলেও এখনও হিমাগারে পুরোনো আলুর উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় দাম অস্বাভাবিক কমেছে।

কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচও উঠছে না। অনেক এলাকায় কেজিপ্রতি আলুর দাম নেমে এসেছে উৎপাদন খরচের নিচে। এতে নতুন করে লোকসানের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কৃষি বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারি ক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন না হওয়া, ঘোষিত ন্যূনতম দাম নিশ্চিত না করা এবং সময়মতো প্রণোদনা না দেওয়ায় সংকট আরও গভীর হয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদে এই সংকট থেকে বের হতে হলে পরিকল্পিত উৎপাদন, কার্যকর সরকারি ক্রয়, সংরক্ষণ ও রপ্তানি ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। অন্যথায় উৎপাদনের প্রাচুর্যই বারবার কৃষকের জন্য অভিশাপ হয়ে ফিরে আসবে।

প্রণোদনা এখনও ফাঁকা বুলি!

বাজারে নতুন আলুর দাম অস্বাভাবিক কম। এতে উৎপাদন খরচই তুলতে পারছেন না অনেক কৃষক। কৃষক ও হিমাগার মালিকদের মতে, গত মৌসুমের উদ্বৃত্ত আলু এখনও হিমাগারে থাকায় বাজারে সরবরাহ বেশি। ফলে নতুন আলু ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না।

গত বছর লোকসানের পর কৃষককে উৎসাহ দিতে কৃষি মন্ত্রণালয় প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছিল। এই অর্থবছরে আলুচাষির জন্য ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১১০ কোটি টাকা ভর্তুকির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। তবে মাঠ পর্যায়ে এখনও কোনো কৃষক প্রণোদনা পাননি। এর আগে উদ্বৃত্ত আলু কিনতে ৫০ হাজার টন প্রকিউরমেন্টের ঘোষণা দেওয়া হলেও সেটিও বাস্তবায়ন হয়নি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। তবে বাজারে পুরোনো আলুর মজুত থাকায় নতুন আলুর দাম চাপে রয়েছে।

বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, সময়মতো প্রণোদনা কার্যকর না হওয়ায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আগস্টে আলু কেনার ঘোষণা দিয়েও সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি। এতে সংকট আরও বেড়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম বলেন, আলুচাষির প্রণোদনা দেওয়ার প্রক্রিয়া অনেকদূর এগিয়েছে। কৃষকের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আমরা প্রণোদনার জন্য প্রস্তাবনা কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। সেই প্রস্তাবনা এখন আছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে।

অনেকে হিমাগারে রাখছেন না আলু

উৎপাদন ভালো হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় জয়পুরহাট, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ ও রাজশাহীর কৃষকের বড় অংশ এবারও লোকসান গুনছেন। অনেকেই গতবারের অভিজ্ঞতায় হিমাগারে আলু রাখতে আগ্রহ হারিয়েছেন।

জয়পুরহাটের চাষি আবদুল মজিদ জানান, গত বছর তিন বিঘা জমিতে আলু চাষ করে ২৭ হাজার টাকা লোকসান হয়েছিল। এবার লোকসান পুষিয়ে নিতে দুই বিঘা জমিতে আলু চাষ করে ৬৫ হাজার টাকা খরচ করেন। উৎপাদন হয়েছে ১৬০ মণ। তবে ২২০ টাকা মণ দরে বিক্রি করে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ২০০ টাকা। এতে তাঁর লোকসান হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। আলু চাষ করে লাভ তো দূরের কথা, খরচই উঠছে না।

জয়পুরহাট, নওগাঁ ও সিরাজগঞ্জের কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাইকারি বাজারে আলু কেজিপ্রতি ১২ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা উৎপাদন খরচের সমান বা তারও কম। ফলে অনেক কৃষক নতুন করে ঋণের চাপে পড়ছেন। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন, এক বিঘা জমিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ করে ৪০ মণ আলু উৎপাদন করেছি। তবে বর্তমান দামে বিক্রি করলে লাভ তো নেই, খরচই শুধু ওঠে।

নওগাঁর বদলগাছীর কৃষক আবদুস সালাম বলেন, গত বছর হিমাগারে রাখা আলু বিক্রি করতে গিয়ে উল্টো বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়েছে। এবারও পাঁচ বিঘা জমিতে চাষ করেছি, তবে বর্তমান দামে কমপক্ষে এক লাখ টাকা লোকসানের শঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, যে দামই হোক আর হিমাগারে আলু রাখব না।

হিমাগার কর্তৃপক্ষও এবার বেশ সতর্ক। জয়পুরহাটের একটি হিমাগারের ব্যবস্থাপক সেলিম হোসেন বলেন, গত বছর অনেক কৃষক আলু না নেওয়ায় বড় অঙ্কের লোকসান হয়েছে। তাই এবার সংরক্ষণের ভাড়ার অন্তত অর্ধেক অগ্রিম নেওয়া হবে।

ঠাকুরগাঁও-রংপুরে কেজি ৪ টাকা

বাজারে পুরোনো আলুর বড় মজুত এবং চাহিদা কম থাকায় ঠাকুরগাঁও ও রংপুর অঞ্চলে নতুন আলুর দাম নেমে এসেছে কেজিপ্রতি চার থেকে ছয় টাকায়। অনেক ক্ষেত্রে আলু বিক্রি না হওয়ায় মাঠে পড়ে আছে, আবার কোথাও গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। কৃষকের হিসাবে, প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে খরচ পড়েছে ১৫ থেকে ১৬ টাকা। অথচ বাজারে বিক্রি হচ্ছে চার থেকে ছয় টাকায়। এতে প্রতি কেজিতে ৯ থেকে ১১ টাকা পর্যন্ত লোকসান হচ্ছে।

সদর উপজেলার কৃষক আব্দুল গনি বলেন, গত বছরের লোকসান কাটিয়ে উঠতে আবার ঋণ নিয়ে আলু চাষ করেছি। তবে এবারও দাম না থাকায় ঋণের বোঝা আরও বাড়ছে।

রংপুর অঞ্চলেও চিত্র একই। কৃষকরা জানান, বর্তমানে ক্ষেতে আলু বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা মণ দরে, যা উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, বাজারে পুরোনো আলুর বড় মজুত এবং নতুন আলুর সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। হিমাগার মালিকরাও ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

তিন জেলায় দুই মৌসুমে ক্ষতি ১৫০০ কোটি টাকা

সাতসকালে বগুড়ার মহাস্থানহাটের পাইকারি বাজারে সারি সারি আলুর স্তূপ। মাঠ থেকে তোলা আলু নিয়ে কৃষকরা বসে থাকলেও নেই ক্রেতা। প্রতিদিনই একই দৃশ্য দেখছেন কৃষকরা– ফসল আছে, বাজার আছে; কিন্তু দাম নেই। সদর উপজেলার শশীবদন্দী এলাকার কৃষক মিল্লাত হোসেন সকালে ২৩ মণ ‘রুমানা পাকড়ি’ আলু নিয়ে হাটে আসেন। বেলা ১১টা পর্যন্ত মাত্র ছয় মণ আলু ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করতে পেরেছেন। বাকি ১৭ মণ অবিক্রীত রয়ে গেছে। একই অবস্থা কাহালুর পাইকড় ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রহিমের। ২২ মণ আলু নিয়ে সকাল থেকে বসে থাকলেও পাইকার না থাকায় বিক্রি করতে পারেননি।

শিবগঞ্জের গুজিয়া শ্যামপুর গ্রামের কৃষক সজিব হোসেন জানান, ১৬ শতাংশ জমিতে চাষ করে তিনি ৪২ মণ আলু পেয়েছেন। কিন্তু উৎপাদন খরচই বাজারদরের চেয়ে বেশি। হাটে আনতে ভ্যান ভাড়া, শ্রমিক ও অন্য খরচ মিলিয়ে মণপ্রতি প্রায় ৯০ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। অথচ বাজারে দাম মিলছে মাত্র ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা।

তিনি বলেন, ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা মণ না হলে খরচই উঠবে না। সদর উপজেলার আকলাছে গ্রামের কৃষক ওমর ফারুক ৩০ মণ আলু ৩০০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। কিন্তু সার, পানি ও ওষুধের খরচ মিলিয়ে বিনিয়োগও ওঠেনি। মহিষবাথানের কৃষক আবু কাসেম বলেন, এই দামে আলু বেচে লাভ তো দূরের কথা, টিকে থাকাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

জয়পুরহাটের কালাইয়ের ব্যবসায়ী ছানোয়ার হোসেন জানান, গত কয়েক দিনে মহাস্থান ও পুনট হাট থেকে আলু কিনে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে পাঠিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এখন আলু কেনা বন্ধ রেখেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বগুড়া, জয়পুরহাট ও রংপুরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আলুর উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বগুড়ায় ২০২২-২৩ মৌসুমে প্রায় ৯ লাখ টন আলু উৎপাদিত হলেও ২০২৪-২৫ মৌসুমে তা ১০ লাখ টন ছাড়িয়েছে। জয়পুরহাটে একই সময়ে উৎপাদন পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টন থেকে বেড়ে প্রায় ছয় লাখ ৩০ হাজার টনে পৌঁছেছে। রংপুরে উৎপাদন বেড়ে ৯ লাখ টনের কাছাকাছি হয়েছে। তবে উৎপাদন বাড়লেও বাজারদর উৎপাদন খরচের নিচে নেমে এসেছে।

গত দুই মৌসুমে পাইকারি বাজারে অনেক সময় আলুর দাম কেজিপ্রতি আট থেকে ১২ টাকায় নেমে আসে, যেখানে উৎপাদন খরচ ১৪ থেকে ১৮ টাকা। এতে বিঘাপ্রতি ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতি হয়েছে।

কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্টদের হিসাব অনুযায়ী, গত দুই মৌসুমে শুধু এই তিন জেলাতেই আলু চাষে মোট ক্ষতি হয়েছে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে।

মাঠ পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে গড়ে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়। এর মধ্যে বীজেই লাগে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। সার, কীটনাশক, শ্রম, সেচ ও পরিবহন মিলিয়ে বাকি খরচ যোগ হয়। ভালো ফলন হলে এক বিঘায় ৭৫ থেকে ৮৫ মণ আলু পাওয়া যায়। তবে বর্তমান বাজারদরে বিক্রি করে আয় হচ্ছে মাত্র ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। ফলে বিঘাপ্রতি ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা ঘাটতি থাকছে।

উত্তরাঞ্চলের এই তিন জেলায় ১০৬টি হিমাগার রয়েছে, যার ধারণক্ষমতা প্রায় সাড়ে ৯ লাখ টন। তবে সংরক্ষণ ব্যয় বেশি হওয়ায় অধিকাংশ কৃষকের পক্ষে সেখানে আলু রাখা সম্ভব হয় না। সংরক্ষণ ভাড়া মণপ্রতি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, সঙ্গে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যুক্ত হয়।

জয়পুরহাটের কৃষক ফিরোজ মিয়া জানান, গত বছর আলু হিমাগারে রেখে লোকসান গুনেছেন। এবারও কমপক্ষে এক লাখ টাকা ক্ষতির শঙ্কা করছেন। রংপুরের কৃষক ইব্রাহিম আলী বলেন, গত বছর আলু বিক্রি না হওয়ায় অনেক হিমাগার মালিক তিন থেকে চার টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।

রংপুরের সহকারী কৃষি বিপণন কর্মকর্তা শাহীন আহমেদ বলেন, পুরোনো ও নতুন আলু একসঙ্গে বাজারে আসায় সরবরাহ বেড়েছে, ফলে দাম কমেছে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগের লোকসান সামলে না উঠতেই আবার নতুন করে ক্ষতির মুখে পড়েছেন আলু চাষিরা। শুধু ঘোষণা নয়, সময়মতো বাস্তব পদক্ষেপই পারে কৃষককে বাঁচাতে। তা না হলে আলুর মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি ফসলের চাষে কৃষকের আগ্রহ কমে যেতে পারে।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর