কক্সবাংলা ডটকম :: সিদ্ধ খাবার খেয়ে বেঁচে থাকা যায় না। কিন্তু তা বলে রোজ ভাজাভুজি খাবেন, সেটাও হয় না। শরীরের কথা ভেবেই খাদ্য তালিকায় বদল আনতে হয়।
শাকসব্জি, দানাশস্যের পরিমাণ বাড়িয়ে ফেললেও দ্বন্দ্ব তৈরি হয় রান্নার তেল নিয়ে। কমবেশি প্রতিটা খাবার তৈরিতে চাই তেল।
কোনওটায় কম, আবার কোনওটায় বেশি। কিন্তু কোন তেল স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ভালো তা কি জানেন?
কোলেস্টেরল বাড়লেও বেশিরভাগ বাঙালির ডায়েটে সর্ষের তেলই থাকে। পরিমাণ বুঝে ব্যবহার করলে সর্ষের তেল খাওয়ায় কোনও ক্ষতি নেই।
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সর্ষের তেল যথেষ্ট নয়। বরং, এ ক্ষেত্রে ডায়েটে রাখতে পারেন এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল।
শুধু হার্টের কথা ভেবে তেল বেছে নিলে চলবে না। অনেক সময়ে সামগ্রিক স্বাস্থ্য, বিশেষত ব্রেন হেলথের কথা ভেবেও তেল বেছে নেওয়া উচিত।
মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল।
২০২৬ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল স্মৃতিশক্তি ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ায়।
পাশাপাশি ভাবনাচিন্তা করার ক্ষমতাও তৈরি করে। অর্থাৎ, এই তেল মস্তিষ্ককে তথ্য বা স্মৃতি মনে রাখার এবং প্রয়োজন মতো তা ব্যবহার করার বুদ্ধি দেয়।
অলিভ অয়েলের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পলিফেনল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন রয়েছে, যা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল। এই উপাদান প্রদাহ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল।
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন, তাঁদের অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় থাকে।
আর যাঁদের অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, তাঁদের মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য নিয়েও কোনও সমস্যায় পড়তে হয় না। তাই ডায়েটে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল রাখতে পারেন।
মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি হার্টের জন্যও উপকারী। এই তেল রক্তে টোটাল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে নিয়ন্ত্রণ করে।
কমায় ট্রাইগ্লিসারাইড ও এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা। পাশাপাশি অলিভ অয়েলে তৈরি খাবার খেলে ক্যালোরি বৃদ্ধিরও আশঙ্কা কম।














