শুক্রবার ১ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পিতা মৌলভী ছাঈদুল হকের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

🗓 শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

👁️ ৬ বার দেখা হয়েছে

🗓 শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

👁️ ৬ বার দেখা হয়েছে

এস এম জোবাইদ,পেকুয়া ::  পেকুয়ার বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, শিক্ষাবিদ ও সমাজপতি গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ এর পিতা

মরহুম মৌলভী ছাঈদুল হক (রহ.)-এর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

১ মে সকালে শহীদ জিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট হলরুমে মৌলভী ছাঈদুল হক ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্বে করেন ফাউন্ডেশনের আহবায়ক ও শহীদ জিয়া বিএম আই অধ্যক্ষ এ এম ফরিদুল আলম চৌধুরী। অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের

সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপি আহবায়ক এনামুল হক।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পেকুয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো: ছফওয়ানুল করিম, অধ্যাপক ফখর উদ্দিন ফরায়েজি, পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসেম, অধ্যাপক সুজন কান্তি নাথ, প্রভাষক আবদুল মান্নান, প্রভাষক সাহাব উদ্দিন, শীলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইব্রাহিম, মাস্টার এনামুল হক, মাস্টার বজলুল করিম, পেকুয়া সেন্ট্রাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মজিবুল হক চৌধুরী।

বক্তারা মরহুমের জীবনী ও কর্ম নিয়ে স্মৃতি মুলক আলোচনা করেন। তিনি ছিলেন একজন আলেম।

মরহুম মৌলভী ছাঈদুল হক ১৯১৩ সালে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার (তৎকালীন চকরিয়া উপজেলা) সদর ইউনিয়নের সিকদারপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর পিতার নাম মৌলভী আবদুল আলী এবং মাতার নাম হাকিমন বিবি।

তিনি পেকুয়ার ঐতিহ্যবাহী মৌলভী পরিবারের বংশধর ছিলেন। তিনি পেকুয়া উপজেলার প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পিতা।

শিক্ষাজীবনে তিনি ১৯৩৫ সালে চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন পাস করেন।

পরবর্তীতে ১৯৩৯ সালে উচ্চতর দ্বীনি শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে ভারতে গিয়ে রামপুরের বিখ্যাত মোজাহেরুল উলুম মাদ্রাসায় ভর্তি হন।

সেখানে তিনি হাদিস, তাফসির ও ফিকহসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপমহাদেশের খ্যাতিমান আলেমদের কাছে শিক্ষা গ্রহণ করেন।

দেশে ফিরে ১৯৫০ সালে তিনি পেকুয়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পেকুয়া জিএমসি ইনস্টিটিউশন-এ শিক্ষকতা শুরু করেন।

পাশাপাশি পেকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও দ্বীনিয়াত শিক্ষা দিতেন। স্নেহ, মেধা ও আদর্শিক শিক্ষাদানের কারণে তিনি সবার কাছে ‘হুজুর স্যার’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

দীর্ঘ ২১ বছর শিক্ষকতা শেষে ১৯৭১ সালে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর জীবনের বাকি সময় তিনি কোরআন-হাদিস চর্চা, ইবাদত-বন্দেগি ও সমাজসেবায় অতিবাহিত করেন।

২০০৮ সালের ১ মে রাত ৯টা ১৫ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ৯৫ বছর বয়স পেয়েছেন তিনি।

আলোচনা সভা শেষে মরহুমের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এদিকে তাহার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া মাহফিল ও কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর