রবিবার ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬ চৈত্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেকুয়ায় জেলেদের প্রণোদনার চাল বিতরণে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

🗓 শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

👁️ ২৭ বার দেখা হয়েছে

🗓 শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

👁️ ২৭ বার দেখা হয়েছে

এস এম জোবাইদ,পেকুয়া :: কক্সবাজারের পেকুয়ার রাজাখালী ইউনিয়নের জেলেদের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তার আওতায় বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে অনিয়ম ও মহিলা মেম্বার সাদেকা বেগম কর্তৃক টাকা নেওয়ার ঘটনায় জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

গত ২২ এপ্রিল উপকারভোগী শফির আহমদ এ অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি ওই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও কার্ডধারী জেলে।

অভিযোগে জানা যায়, মাছের প্রজনন মৌসুমে সাগর ও নদীতে মৎস্য আহরণে মৎস্য অধিদপ্তরের জারিকৃত ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারির পর উপকূলের নিবন্ধনকৃত জেলেদের জীবনযাপনের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তার আওতায় চাল বরাদ্দ দেয়।

গত রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদে এ চাল বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

এ চাল বিতরণে ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য সাদেকা বেগম ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৩৯১ জন জেলের কাছ থেকে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে মোট ৭৮ হাজার ২০০ টাকা আদায় করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, চাল গ্রহণের আগে ‘খরচের কথা বলে এ টাকা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় উপকারভোগীরা জানান, একই দিনে ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে চাল বিতরণ করা হলেও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি। এতে বৈষম্য ও অনিয়মের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে বলে দাবি তাদের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক উপকারভোগী জানান, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৩৯১ জন জেলে কার্ডধারীর কাছ থেকে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে আদায় করেছেন ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য সাদেকা বেগম।

কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার নাম তালিকা থেকে কেটে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, ৬৫ দিনের সাগর নিষেধাজ্ঞার সময় উপকূলীয় জেলে পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করে।

এ সময়ে সরকার প্রণোদনা হিসেবে সামান্য ৭৭ কেজি করে চাল দিলেও সেই চাল পেতে নির্বাচিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে ২০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর।

তারা এ ধরনের হয়রানি ও জুলুম থেকে মুক্তি চান।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সাদেকা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগে বিষয়ে উল্টো এক ইউপি সদস্য এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেন এবং ডিসি স্যারকেও জানিয়েছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক শরীফ জানান অভিযোগের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।”

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর