এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও :: পাহাড়ি জনপদ ঈদগড়ের বিভিন্ন সমিতি এবং এনজিওর ঋণের চাপে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
বিশেষ করে কৃষক,দিনমজুরসহ নিম্নআয়ের পরিবারগুলো ঋণ কিস্তি পরিশোধ করতে না পেরে চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয়দের দাবি,ঋণের চাপ ও আর্থিক দুরবস্থার কারণে অনেক পরিবার ইতোমধ্যে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়।
সূত্র মতে জানা যায়, বিগত কয়েক বছরে এলাকায় বিভিন্ন এনজিও এবং ক্ষুদ্রঋণভিত্তিক সমিতির কার্যক্রম ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার কথা বলা হলেও পরে সাপ্তাহিক, মাসিক কিস্তির চাপে বহুজন ঋণের জালে আটকে পড়ে।
কৃষিকাজে লোকসান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং কর্মসংকট পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে।
কৃষকরা জানান,জমিতে কাঙ্ক্ষিত ফলন না হওয়া ও বাজারে পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তারা সময়মতো কিস্তি দিতে পারছেনা।
কিস্তি বকেয়া হলে সমিতির চাপসহ বাড়িতে বারবার তাগাদা ও সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের মতে, সংসারের খরচ চালাতে গিয়ে এক সমিতির ঋণ শোধ করতে আরেক সমিতি থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে।
এতে ঋণের বোঝা দিন দিন বাড়ছে। কেউ কেউ ভিটেমাটি বিক্রি করে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে
সচেতন মহলের মতে, পাহাড়ি অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা না করে অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ ভবিষ্যতে সামাজিক সংকট সৃষ্টি করতে পারে।
তারা প্রশাসনের নজর দারি বৃদ্ধি, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিতও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন দাবি জানান
সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে অসহায় মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা কমতে পারে এমনি আশাবাদ এলাকাবাসী।














