কক্সবাংলা ডটকম :: যুক্তরাষ্ট্র ও নাইজেরিয়ার যৌথ অভিযানে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) শীর্ষ নেতা আবু-বিলাল আল-মিনুকি নিহত হয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে বিশ্বব্যাপী আইএসের দ্বিতীয় প্রধান এবং বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় সন্ত্রাসী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
নাইজেরিয়া, চাদ, নাইজার ও ক্যামেরুন সীমান্তঘেঁষা লেক চাদ অববাহিকার জলাভূমি এলাকায় আল-মিনুকির গোপন আস্তানায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে তার কয়েকজন সহযোগীও নিহত হয়েছেন।
সামরিক মুখপাত্রের তথ্যানুসারে, দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে বর্নো রাজ্যের মেটেলে এলাকায় তার দুর্ভেদ্য ঘাঁটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছিল।
নাইজেরীয় সেনাবাহিনীর তথ্যমতে, কয়েক মাসের গোয়েন্দা তৎপরতার পর শনিবার মধ্যরাতে অভিযানটি শুরু হয়।
এতে নাইজেরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী অংশ নেয়। অভিযানে কোনো সেনাসদস্য বা সামরিক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলেও দাবি করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী।
নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবু এ অভিযানকে সাহসী পদক্ষেপ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এটি আইএসের ওপর বড় ধরনের আঘাত। এর আগে ২০২৩ সালে ওয়াশিংটন আল-মিনুকিকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
লেক চাদ অববাহিকা দীর্ঘদিন ধরে বোকো হারাম ও ইসলামিক স্টেট ওয়েস্ট আফ্রিকা প্রভিন্সের (আইএসডব্লিউএপি) শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আইএসের কার্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে সংগঠনটির প্রায় ৯০ শতাংশ হামলাই সাহারা-নিম্ন আফ্রিকায় সংঘটিত হচ্ছে, যার মধ্যে নাইজেরিয়াভিত্তিক শাখাটি সবচেয়ে সক্রিয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সামরিক কর্মকর্তারা জানান, আল-মিনুকি আইএসের ‘হেড অব জেনারেল ডিরেক্টরেট অব স্টেটস’ পদে উন্নীত হয়েছিলেন, যা তাকে সংগঠনটির বৈশ্বিক নেতৃত্বের শীর্ষ পর্যায়ে নিয়ে যায়।
তিনি সাহেল ও পশ্চিম আফ্রিকা জুড়ে বেসামরিক নাগরিক ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর একাধিক হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া ২০১৮ সালে নাইজেরিয়ার দাপচি স্কুল থেকে শতাধিক ছাত্রী অপহরণের ঘটনাতেও তার সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।
-খবর বিবিসি













