সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুনের ঘটনায় উদ্বেগজনক চিত্র, সাত মাসে মামলা ২ হাজার ৭৬টি

🗓 সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

👁️ ৫ বার দেখা হয়েছে

🗓 সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

👁️ ৫ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম(২৪ আগস্ট) :: সারাদেশে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে খুনের ঘটনায় ২ হাজার ৭৬টি মামলা হয়েছে।

এর মধ্যে জুলাইয়ে ২৯৮টি, জুনে ৩২৬টি এবং মে মাসে ৩১০টি মামলা হয়েছে। অর্থাৎ, শুধু গত তিন মাসেই খুনের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৯৩৪টি।

গড়ে প্রতি মাসে ৩১১টির বেশি খুনের মামলা হয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ২৮৭, ফেব্রুয়ারিতে ২৫০, মার্চে ৩১৭ এবং এপ্রিলে ২৮৮টি খুনের মামলা হয়েছে। সাত মাসে গড়ে প্রতি মাসে ২৯৬টি মামলা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র বিবেচনায় নিয়ে এত বিপুলসংখ্যক হত্যাকাণ্ডকে উদ্বেগজনক বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার বাগেরহাট, ফরিদপুর, পাবনার ঈশ্বরদী, জামালপুর ও ঝিনাইদহে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এর আগের দিন শনিবার রাতে রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ায় একটি বাড়ির দ্বিতীয়তলা থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, টার্গেট কিলিং, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের দ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক কোন্দল, আধিপত্য বিস্তার, মাদক-অপরাধ, কিশোর গ্যাং, গোষ্ঠীগত বিরোধ, জমি নিয়ে বিরোধ, নারী ও শিশু নির্যাতনের পর হত্যা এবং পারিবারিক-সামাজিক কলহ—বিভিন্ন কারণে খুনের ঘটনা ঘটছে। ফলে হত্যাকাণ্ডের পেছনে একক কোনো কারণকে দায়ী করা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক কিছু হত্যাকাণ্ডে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। এতে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সমকালের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের সাত মাসে সারাদেশে ১২৩টি গুলির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫৯ জন।

এদিকে পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্রের মধ্যে এখনো ১ হাজার ৩১১টি উদ্ধার হয়নি। এর মধ্যে চায়নিজ রাইফেল ১০৯টি ও এসএমজি ৩০টি। উদ্ধার হয়নি ২ লাখ ৫৭ হাজার ১২৫টি গুলিও। এর বাইরে বিভিন্ন অপরাধী চক্রের হাতে অবৈধ আধুনিক অস্ত্র রয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বোঝার ক্ষেত্রে খুনের মামলার পরিসংখ্যানকে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই হিসাবে চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দুই হাজারের বেশি হত্যা মামলা হওয়াকে সতর্কসংকেত হিসেবে দেখছেন অনেকে।

পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতি মাসে খুনের ঘটনা প্রায় ৩০০টির মতো। অনেক সময় চাইলেও এসব ঘটনা ঠেকানো কঠিন। কারণ হত্যাকাণ্ড অনেক ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ও তাৎক্ষণিকভাবে ঘটে। ব্যক্তিগত শত্রুতা ও ক্রোধ থেকেও হত্যার ঘটনা ঘটে। ফলে কোনো মাসে খুন বাড়ে, আবার কোনো মাসে কমে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখনো প্রত্যাশামতো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। সংযুক্তি, বদলি, চাকরি হারানো, মামলায় আসামি হওয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্যাগিংয়ের মতো নানা আতঙ্কের পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগ করতে গিয়েও বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। এর প্রভাব মাঠপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতেও পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

খুনের পেছনে রাজনৈতিক বিরোধও অন্যতম কারণ। বিভিন্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘাত ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে ছোট-বড় ৪০০টি সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণ গেছে ৭৭ জনের। তাদের মধ্যে দুর্বৃত্তদের হামলা ও গুলিতে নিহত হয়েছেন ৪০ জন।

গত ১৭ আগস্ট সচিবালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত ছয় মাস বা ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ে জনগণই সন্তুষ্টির বিষয়টি মূল্যায়ন করবে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিস্থিতি আরও সুসংহত করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।

ঢাকা রেঞ্জে খুন বেশি

পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মহানগরগুলোর মধ্যে জুলাইয়ে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি ৩১টি খুনের মামলা হয়েছে। জুনে এ সংখ্যা ছিল ২৩ এবং মে মাসে ১৬টি। অর্থাৎ, তিন মাসে রাজধানীতে খুনের মামলা হয়েছে ৭০টি এবং ধারাবাহিকভাবে তা বেড়েছে।

জুলাইয়ে চট্টগ্রাম মহানগরে চারটি, খুলনায় তিনটি, রাজশাহীতে একটি, সিলেটে পাঁচটি এবং গাজীপুরে সাতটি খুনের মামলা হয়েছে। বরিশাল ও রংপুর মহানগরে এ মাসে কোনো খুনের ঘটনা ঘটেনি।

রেঞ্জভিত্তিক হিসাবে জুলাইয়ে ঢাকা রেঞ্জে সবচেয়ে বেশি ৬৬টি খুনের মামলা হয়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জে ৫৪টি, খুলনায় ২৯, ময়মনসিংহে ২৭, রাজশাহীতে ২৪, রংপুরে ১৮, সিলেটে ১৫ এবং বরিশাল রেঞ্জে ১৪টি মামলা হয়েছে।

জুনে ঢাকা রেঞ্জে ৭৪, চট্টগ্রামে ৬৭, রাজশাহীতে ৩১, খুলনায় ২৮, ময়মনসিংহ ও সিলেটে ২২টি করে এবং বরিশালে ১৫টি খুনের মামলা হয়েছে। মে মাসে ঢাকা রেঞ্জে ৭২, চট্টগ্রামে ৭১, খুলনা ও রাজশাহীতে ২৯টি করে, রংপুরে ২১, বরিশালে ২০, সিলেটে ১৪ এবং রেলওয়ে রেঞ্জে একটি মামলা হয়েছে।

গত তিন মাসে খুলনা রেঞ্জে মোট ৮৫টি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১৯২টি এবং ঢাকা রেঞ্জে ২১২টি খুনের মামলা হয়েছে। একই সময়ে খুলনা মহানগরে নয়টি এবং চট্টগ্রাম মহানগরে ১৪টি মামলা হয়েছে।

আগের বছরের তুলনায় চিত্র

পুলিশ সদরদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে খুনের ঘটনায় মোট মামলা হয়েছিল ৩৬২টি। এর মধ্যে আগের খুনের ঘটনায় মামলা ছিল ৯০টি। সে হিসাবে প্রকৃত খুনের ঘটনা ছিল ২৭২টি। জুনে মোট মামলা ৩৪৪টির মধ্যে আগের অপরাধের মামলা ছিল ৯৫টি; প্রকৃত খুনের মামলা ছিল ২৪৯টি। মে মাসে মোট ৩৪১টি মামলার মধ্যে আগের মামলা ছিল ৮০টি। সে হিসাবে প্রকৃত খুনের মামলা ছিল ২৬১টি। অর্থাৎ, ২০২৫ সালের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রকৃত খুনের মামলা ছিল ৭৮২টি; গড়ে প্রতি মাসে ২৬০টি।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে খুনের মামলা হয়েছিল ৩৩৪টি, জুনে ২৬৮ এবং মে মাসে ২৫৯টি। তিন মাসে মোট মামলা ছিল ৮৬১টি। গড়ে প্রতি মাসে খুনের মামলা ছিল ২৮৭টি। ওই বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত খুনের মামলা ছিল যথাক্রমে ২৩১, ২৪০, ২৩৯, ২৯৬, ২৫৯, ২৬৮ ও ৩৩৪টি। আগস্টে মামলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬২৬টিতে। এর মধ্যে ১৫৮টি ছিল ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের আগের অপরাধের মামলা।

২০২৩ সালে জানুয়ারিতে ২১৪, ফেব্রুয়ারিতে ২২২, মার্চে ২৬৮, এপ্রিলে ২৯৬, মে মাসে ২৪৬, জুনে ২৭২, জুলাইয়ে ২৯৬, আগস্টে ২৫৩, সেপ্টেম্বরে ২৩৮, অক্টোবরে ২৫৮, নভেম্বরে ২২৭ এবং ডিসেম্বরে ২২৩টি খুনের মামলা হয়। ওই বছর মোট মামলা ছিল ৩ হাজার ২৩টি। গড়ে প্রতি মাসে ২৫১টি মামলা হয়েছে। মে থেকে জুলাই পর্যন্ত তিন মাসে মামলা হয়েছে ৮১৪টি।

মাঠপর্যায়ে উদ্বেগ

সাম্প্রতিক সময়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে পুলিশ সদরদপ্তরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। এসব বৈঠকে খুন, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

গত ৬ আগস্ট রাজধানীর সবুজবাগ থানার বাগানবাড়ী কালভার্ট এলাকার একটি গরুর খামারসংলগ্ন সেতুর নিচ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর খণ্ডিত মাথা ও পলিথিনে মোড়ানো দুই হাত উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহতের নাম ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানী (১৯)। তাঁর বাবা-মা খণ্ডিত মাথার ছবি ও দুই হাতে থাকা ট্যাটু দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত অপরাধী জামিনে কারাগার থেকে বের হয়েছেন। কেউ কেউ বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন। তাদের কেউ এলাকায় অবস্থান করছেন, আবার কেউ বিদেশে চলে গেছেন। এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং পুরোনো শত্রুদের ‘শায়েস্তা’ করতে কয়েকজন অপরাধী তৎপর হয়ে উঠেছেন।

গত ২৮ এপ্রিল নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের ভগ্নিপতি খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তাঁর স্বজনরা এ হত্যার জন্য আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী হেলালকে দায়ী করেন। তবে হেলাল পাল্টা অভিযোগ করেন, এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে ইমনের সহযোগীরা জড়িত। গত ১০ নভেম্বর ঢাকার আদালতপাড়ার কাছে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে খুলনাতেও একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। গত ২০ আগস্ট খুলনার বটিয়াঘাটায় নদী থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই রাতে দিঘলিয়া উপজেলায় বিদ্যালয় ছুটির প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর স্কুলের বাথরুম থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় এক ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। ১৯ আগস্ট শহরের লবণচরায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটে। আশিবিঘা এলাকায় মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে গুলিতে দুই তরুণ নিহত হন। ১৮ আগস্ট রায়েরমহল এলাকায় শিশু অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে গণপিটুনিতে রাজু (২৬) নামে এক যুবক নিহত হন। ১৫ আগস্ট জয় ঢালী (২৭) নামে এক যুবককে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ১১ আগস্ট ফখরুল শেখ (৩২) নামে এক যুবককে ইটভাটায় গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

অতিরিক্ত আইজিপি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, খুলনা, চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খুনের ঘটনা তুলনামূলক বেশি। এসব ঘটনায় ভাড়াটে খুনি, চরমপন্থি ও সুন্দরবনকেন্দ্রিক জলদস্যুদের সম্পৃক্ততা অনেক ক্ষেত্রে পাওয়া যায়। তাঁর ভাষ্য, আগে এসব অপরাধীর মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ভয় ছিল এবং তারা এলাকায় আসত না। এখন প্রচলিত আইনে তাদের বিচারের মুখোমুখি করায় পুলিশ বিশ্বাসী। তবে কিছু এলাকায় রাজনৈতিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করেও হত্যাকাণ্ড ঘটছে।

তিনি বলেন, যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটছে, তার অধিকাংশের রহস্য উদ্ঘাটন এবং আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরাধ পর্যালোচনা সভায় খুনের মতো গুরুতর অপরাধ কীভাবে কমিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে নিয়মিত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর